ফ্রিল্যান্সিং কি এবং কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং শিখব?

ফ্রিল্যান্সিং বর্তমান সময়ে যুবক সমাজের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি শব্দ। স্কুল লেভেল থেকে শুরু করে চল্লিশোর্ধ চাকুরীজীবী পর্যন্ত এই ফ্রিল্যান্সিং নিয়ে খুব মাতামাতি করছে। আর করবে নাইবা কেন? কারণ বাংলাদেশের হাজার হাজার যুবক ফ্রিল্যান্সিং করে সফল ফ্রিল্যান্সার হয়ে মাসিক ভালো হ্যান্ডসাম অনলাইন ইনকাম করছে।

এমনকি এসব সফল ফ্রিল্যান্সারদের অনলাইন ইনকাম এর কারণে বাংলাদেশের বৈদেশিক রেমিটেন্স এর বিরাট একটা অংশ দখল করে নিয়েছে। কিন্তু অনেকেই জানেনা আসলে এই ফ্রিল্যান্সিং কি জিনিস? এবং অনেকেরই প্রশ্ন ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শুরু করব?

বেশিরভাগ মানুষ এর মনে গেঁথে গিয়েছে ইন্টারনেট থেকে নাকি টাকা কামানো যায়, ফ্রিল্যান্সিং নাকি খুব সহজ, ঘরে বসে ইনকাম করা যায়, লাখ লাখ টাকার হাতছানি, অমুক নাকি এখন মাসে লাখ টাকা ইনকাম করে এরকম হাজারো কথা। ব্যস শুরু হয়ে গেল ফ্রিল্যান্সিং শেখার জন্য উথাল-পাথাল।

আমাদের দেশে একটা কথা যখন প্রচলিত হয় তখন সবাই জেনে না জেনে সেটার পেছনে ছুটতে থাকে বিচার-বিশ্লেষণ ছাড়াই। এটা অনেকটা চিলে কান নিয়ে গেছে এরকম। এখন ফ্রিল্যান্সিং বিষয়টিও এরকম দাঁড়িয়েছে। কোন কিছু চিন্তা না করেই ফ্রিল্যান্সিং শেখার জন্য যেখানে সেখানে ছুটে চলছে অর্থের অপচয় করছে, সময়ের অপচয় করছে।

তাই আসুন একটু ভালোভাবে বিষয়টি জেনে নিন।

Contents

ফ্রিল্যান্সিং এই আর্টিকেলটির মূল উদ্দেশ্য

ফ্রিল্যান্সিং করতে গিয়ে আমি অনেক তিক্ত অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হয়েছি। আমার পরিচিত অনেক ভাই বোন কে দেখেছি এই ফ্রিল্যান্সিং করতে গিয়ে কত রকমের প্রতারণার শিকার হয়েছে।

অনেকেই ফ্রিল্যান্সিং করতে গিয়ে সফল হতে না পেরে হতাশ হয়ে ছেড়ে দিয়েছে। তো আমি অনেক চিন্তা করে দেখলাম ফ্রিল্যান্সিং করতে গিয়ে কেন আমরা সফল হতে পারছি না, কেন আমরা হতাশ হয়ে যাচ্ছি, কেন আমরা প্রতারণার শিকার হচ্ছি, যেখানে ফ্রিল্যান্সিং করা অনেক সহজ।

শুধুমাত্র একটি সঠিক গাইডলাইনের অভাবে, আমাদের চিন্তাধারার কিছু ভুলের কারণে, কিছু অসৎ মানুষের কারণে, আমরা হেরে যাচ্ছি । কিছু মানুষ এই ফ্রিল্যান্সিং এবং অনলাইন থেকে ইনকাম করার বিষয়টি নিজেদের স্বার্থে জটিল করে উপস্থাপন করে।

আমার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে আমাদের দেশের মানুষ যেন অনলাইন থেকে ইনকাম করার এই বিশাল সমুদ্র থেকে বঞ্চিত না হয়। আমি এই আর্টিকেলটিকে এমনভাবে সাজিয়েছি যেন, একদমই যারা নতুন, বয়সের ভিত্তিতে, যারা চাকুরীজীবী এবং গৃহিণী পর্যন্ত যেন খুব সহজেই ফ্রিল্যান্সিং জগতে কদম ফেলতে কোন প্রকার অসুবিধে না হয় সেদিকে লক্ষ্য রেখে।

এই লক্ষ্যেঃ
১. ফ্রিল্যান্সিং কি ?
২. ফ্রিল্যান্সার কি ?
৩. ফ্রিল্যান্সিং এর ভবিষ্যৎ
৪. কেন ফ্রিল্যান্সিং শিখব ?
৫. ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শিখব এবং কোথায় শিখব ?
৬. ফ্রিল্যান্সিং এ কি কি কাজ করা যায় ?
৭. ফ্রিল্যান্সিং কোন কাজের চাহিদা বেশি ?
৮. ফ্রিল্যান্সিং করে ইনকাম করতে কতদিন সময় লাগে ?
৯. ফ্রিল্যান্সিং করে কত টাকা আয় করা যায়?
১০. ক্যাটাগরির ভিত্তিতে কাজের লিস্ট
১১. সফল ফ্রিল্যান্সার হওয়ার পূর্ণাঙ্গ গাইডলাইন

ফ্রিল্যান্সিং কি ?

ফ্রিল্যান্সিং এর সোজা বাংলায় অর্থ হলো মুক্ত পেশা। অর্থাৎ আপনি কারও অধীনে না থেকে আপনার দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে উপার্জন করা। ফ্রিল্যান্সিং হলো এক ধরনের ব্যবসা। যার নির্দিষ্ট কোন কাজের ধরন নেই। একেকজন মানুষের ভিন্ন ভিন্ন দক্ষতা থাকতে পারে।

যেমন কেউ ওয়েবসাইট বানাতে পারে, গ্রাফিক ডিজাইন করতে পারে, ইলেকট্রিক্যাল মেকানিক কাজ পারে। এখন যদি এমন কেউ কোন প্রতিষ্ঠানে চাকরি না করে ব্যক্তিগতভাবে এই সেবাগুলো প্রদানের মাধ্যমে উপার্জন করে তাহলে তার এই কাজকে ফ্রিল্যান্সিং বলা যেতে পারে। একজন মানুষ তার যে কোন কাজকে ফ্রিল্যান্স ভাবে করতে পারে।

ফ্রিল্যান্সিং কাজের ধরনের কোনো শেষ নেই। আপনি চাইলেই যে কোন কাজকে ফ্রিল্যান্সিং ভাবে করতে পারেন। এই প্রক্রিয়ার সবচেয়ে মজার বিষয় হলো আপনার কাজের নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা নেই।

তাই ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য বয়স, সময় বা লিঙ্গের কোন ভেদাভেদ নেই। এখানে যিনি ফ্রিল্যান্সিং করছেন তিনিই সর্বেসর্বা, অর্থাৎ তার কোনো বস্ নেই। আসলে এটি হচ্ছে একটি ব্যবসার ধরন মাত্র।

সবার বোঝার সুবিধার্থে ফ্রিল্যান্সিংকে আমি আরেকটু বিশদভাবে বর্ণনা করছি। ফ্রিল্যান্সিং দুই ভাবে করা যায়।

  • অনলাইন ফ্রিল্যান্সিং
  • অফলাইন ফ্রিল্যান্সিং

অনলাইন ফ্রিল্যান্সিংঃ

অনলাইন ফ্রিল্যান্সিং হচ্ছে ইন্টারনেট কে কাজে লাগিয়ে আপনার দক্ষতার দিয়ে সেবা প্রদান করে অর্থ উপার্জন করা। আমাদের দেশে আমরা ফ্রিল্যান্সিং বলতে সাধারণত অনলাইন ফ্রিল্যান্সিং করা বুঝি। অনলাইন ফ্রিল্যান্সিং অনেকভাবেই করা যায়। কিভাবে অনলাইনে ইনকাম করা যায় সে বিষয়ে বিস্তারিত জানুন।

অফলাইন ফ্রিল্যান্সিংঃ

কারও অধীনে না থেকে স্বাধীনভাবে কোন কাজ করে অর্থ উপার্জন করাটাই হচ্ছে অফলাইন ফ্রিল্যান্সিং। আপনার আশেপাশে অনেক মানুষকে দেখবেন যারা কোথাও চাকরি করে না । কিন্তু একা একা কাজ করছে।

এর সবচেয়ে সহজ উদাহরণ হল দিনমজুর, রিকশাচালক, ইলেকট্রিশিয়ান, পাইপ ফিটার বা প্লাম্বার ইত্যাদি। আবার অনেক উচ্চ মানের অফলাইন ফ্রিল্যান্সার দেখা যায় যেমন ইঞ্জিনিয়ার, আর্কিটেকচার, চার্টার্ড একাউন্টেন্ট ইত্যাদি।

দেখা যায়, অনেকে কোম্পানিতে দীর্ঘদিন কাজ করার ফলে কর্মদক্ষতা এবং মার্কেটে ব্যক্তিগত ভালো জানাশোনা থাকার কারণে, বর্তমানে চাকরি না করেই অর্থ উপার্জন করছেন।

আমি অনেক ইঞ্জিনিয়ারকে দেখেছি যারা বিভিন্ন কোম্পানিতে অন কল বেসিসে সাপোর্ট দিয়ে যায়। তো উনারা কিন্তু কোন কোম্পানিতে নির্দিষ্ট বেতনের চাকরি করছেন না। উনারা শুধুমাত্র উনাদের নিজেদের কর্মদক্ষতা দিয়েই অর্থ উপার্জন করছেন।

অফলাইন ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ সমূহ এ নির্দিষ্ট কোন বাধ্যবাধকতা নেই। তাই যাদের মোটামুটি ব্যক্তিগত মার্কেট চাহিদা তৈরি হয়েছে তারা অফলাইন ফ্রিল্যান্সিংকরতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে।

আমরা এই আর্টিকেলে অনলাইন ফ্রিল্যান্সিং নিয়েই আলোচনা করব।

ফ্রিল্যান্সার কি ?

যে ব্যক্তি অর্থ উপার্জনের পথ হিসেবে মুক্ত পেশাকে বেছে নিয়েছেন তিনি মূলত ফ্রিল্যান্সার।

মনে করুন একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনার, তিনি কোথাও চাকরি করেন না। তিনি অনলাইন থেকে বিভিন্ন কোম্পানির গ্রাফিক ডিজাইন এর কাজগুলো করে থাকেনএবং এর মাধ্যমে উপার্জন করেন। এই ক্ষেত্রে তিনি একজন ফ্রিল্যান্সার

আবার ধরুন, একজন ফটোগ্রাফার। তিনি অনলাইন বা অফলাইনে দুই ভাবেই কাজ করে থাকেন কোথাও চাকরি না করেই। তিনিও একজন ফ্রিল্যান্সার। আবার অনেকেই চাকরি অথবা পড়ালেখার পাশাপাশি এই ধরনের মুক্তভাবে কাজ করে থাকেন।

ফ্রিল্যান্সিং এর ভবিষ্যৎ

ফোর্বস রিপোর্ট করেছে যে, যারা যুক্তরাষ্ট্রে ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কাজ শুরু করেছে তাদের মধ্যে ৮% বৃদ্ধি পেয়েছে, যা মোট সংখ্যা ৫৭.৩ মিলিয়ন। এদিকে, একই সময়সীমার মধ্যে মার্কিন কর্মীদের সংখ্যা ২.৬% বৃদ্ধি পেয়েছে, যা মোট সংখ্যা 156 মিলিয়ন থেকে বেড়ে 160 মিলিয়ন হয়েছে।

যদি এই প্রবণতা অব্যাহত থাকে, তাহলে এর অর্থ হবে 2027 সালের মধ্যে মার্কিন কর্মীদের 50% এরও বেশি ফ্রিল্যান্সিং হবে।

এই করোনা কালীন সময়ে সমগ্র বিশ্বে আমূল পরিবর্তন এসেছে। এই সময় মানুষ ঘর থেকে বের না হওয়ার কারণে বড় বড় কোম্পানিগুলো তাদের অনেক ডিপার্টমেন্টের লোকজনকে ইন্টারনেটের মাধ্যমে কাজে লাগিয়েছে।

আর এতে করেই কোম্পানি গুলো দেখতে পেল যে আসলে তাদের অনেক কাজই অফিসের কর্মচারী না রেখেই অনলাইনের মাধ্যমে কাজ করিয়ে নেয়া যায়। এতে করে কোম্পানির খরচ কমে যায়।

বর্তমানে কোম্পানিগুলো ফ্রিল্যান্সারদের কাছ থেকে প্রকল্পভিত্তিক এবং চুক্তিভিত্তিক কাজ করানো কে সহজ মনে করে। বর্তমান টেকনোলজির এই যুগে বিগত দিনের কাজের সম্পূর্ণ ধারণা বদলে যাচ্ছে। কোম্পানিগুলো খরচ বাঁচানোর জন্য মাসিক ভিত্তিতে কর্মচারী না রেখে ফ্রিল্যান্সারদেরকে নিযুক্ত করাই শ্রেয় মনে করছে।

এই কারণে, ফ্রিল্যান্সাররা সবসময় একটি বিকল্প।

তাছাড়া এই প্যানডেমিক এর সময়ে বিশ্বের বহু মানুষ তাদের চাকরি হারিয়েছে। আর এই মানুষগুলো জীবিকার জন্য তাদের দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করে দিয়েছে। উপরের রিপোর্ট থেকে আমরা বুঝতে পারছি যে ফ্রিল্যান্সার বেড়েছে ৮ শতাংশ যেখানে কর্মচারী বেড়েছে ২.৬ শতাংশ ।

ফ্রিল্যান্সার বৃদ্ধির সবচেয়ে বড় কারণ হচ্ছে যে কোন জায়গা থেকেই কাজ করা যায় । নিজের পছন্দ এবং অর্থের মূল্য নির্ধারণ দক্ষতার ভিত্তিতে নিজেই করতে পারে।

বাংলাদেশেও ফ্রিল্যান্সিং শুরু হয়েছে অনেক আগে থেকেই। কিন্তু এই প্যানডেমিক এর পর খুব দ্রুত এর ব্যাপকতা বেড়েছে। এবং সরকারিভাবেও বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার কথা বলা হচ্ছে। এই বিষয়গুলো আসলে পরিবর্তনের দিক নির্দেশ করছে।

কেন ফ্রিল্যান্সিং শিখব ?

আসলেই কেন ফ্রিল্যান্সিং শিখবো? এটি জানা খুব জরুরী। ইতোমধ্যেই আমরা উপরের আলোচনা থেকে জানতে পেরেছি ফ্রিল্যান্সিং এর ভবিষ্যৎ।

বিশ্বের অনেক গবেষণা প্রতিষ্ঠান হাজারো ফ্রিল্যান্সার এর উপর গবেষণা করেছে। এবং ফ্রিল্যান্সারদের থেকে জানতে চাওয়া হয়েছে, আপনি কেন ফ্রিল্যান্সিং করছেন? আপনি কেন ফ্রিল্যান্সার হয়েছেন? এই প্রশ্নগুলোর উত্তর এ উঠে এসেছে কাজ করার স্বাধীনতা এবং দক্ষতার প্রকৃত মূল্য।

এবার দেখা যাক এর সুবিধা গুলো কি কি?

যেকোন জায়গা থেকে কাজ করা যায়

প্রথম সুবিধাটাই হচ্ছে আপনি যেকোন জায়গা থেকে এবং যেকোনো সময়ে ফ্রিল্যান্সিং করতে পারবেন। যেহেতু এটি সম্পূর্ণ অনলাইন ভিত্তিক বা ইন্টারনেট ভিত্তিক।

তাই আপনি যেখানেই থাকুন না কেন আপনি সেখান থেকেই কাজ করতে পারছেন, যদি আপনার সাথে ইন্টারনেট সুবিধা থাকে। আপনি কোথাও বেড়াতে গেলেন বেশ কয়েক দিনের জন্য, নো টেনশন আপনার কাজ, আপনার অফিস, আপনার ক্লায়েন্ট সব আপনার সাথে সাথে ঘুরছে।

একটু মজা করলাম। যেহেতু আপনি ইন্টারনেটের মাধ্যমে কাজ পাচ্ছেন, আপনার কাজ আপনি ল্যাপটপে করতে পারছেন, আর ক্লায়েন্ট যে দেশ থেকেই হোক না কেন আপনার সাথে যোগাযোগ করতে পারছে।

আপনি কোথায় আছেন সেটি বড় বিষয় নয়। আপনি ক্লায়েন্টের সময়মতো যোগাযোগ করতে পারছেন এটিই আসল বিষয়।

ফ্রিল্যান্সিং এ আপনিই কর্তা

দ্বিতীয় সুবিধাটা হলো, এখানে আপনার উপর কর্তৃত্ব খাটানর কেউ নেই। এখানে আপনিই কর্তা। আপনি আপনার নিজস্ব চিন্তা ধারা বা কর্ম পরিকল্পনার উপর নির্ভরশীল।

এতে করে আপনার কোন প্রকার বাড়তি মানসিক চাপ নেই।

ক্লায়েন্ট বা প্রজেক্ট গ্রহণ করার স্বাধীনতা

আপনি কার কাজ করবেন বা করবেন না, অথবা কোন প্রজেক্ট করবেন কি করবেন না, এই সমস্ত বিষয় গুলোর পূর্ণ স্বাধীনতা রয়েছে।

কোন প্রজেক্ট আপনার পছন্দ হচ্ছেনা, আপনি সেই প্রজেক্ট চাইলে না করতে পারেন। আছে না এমন অনেক কাজ, যেগুলো আপনার নৈতিকতার বিরুদ্ধে যায়। আপনি চাইলেই অনায়াসে রিজেক্ট করে দিতে পারেন।

কিন্তু আপনি যদি কোন কোম্পানিতে কর্মরত অবস্থায় থাকেন, তাহলে আপনি যে কাজই হোক না কেন আপনি করতে বাধ্য। কোম্পানিতে চাকুরীরত অবস্থায় এই ধরনের কোন স্বাধীনতা থাকে না। তাই একজন ফ্রিল্যান্সার হওয়ার এটি একটি বড় সুবিধে।

অর্থ উপার্জনের কোন লিমিট নেই

আমরা কোন কোম্পানিতে চাকরি করলে নির্দিষ্ট বেতন পাই। কিন্তু ফ্রিল্যান্সিংয়ে মাসিক ইনকামের কোন লিমিট নেই। আপনি যত বেশি কাজ করতে পারবেন ততবেশি আপনি ইনকাম করতে পারবেন।

পক্ষান্তরে আপনি কোম্পানিতে যতই কাজ করুক না কেন নির্দিষ্ট সময়ের পর আপনার বেতন বাড়তে পারে। আবার দেখা যায় তারও কোনো নিশ্চয়তা থাকে না। তাই দেখা যায় বেশিরভাগ মানুষ কোম্পানিতে চাকরি রত অবস্থায় গতানুগতিক কাজ করে যায়।

কিন্তু একজন ফ্রিল্যান্সার সবসময় চেষ্টা করে প্রতিটা কাজ ভালো করে করতে এবং বেশি বেশি কাজ করতে। কারণ সে জানে সে যত ভালো কাজ করতে পারবে ততই তার উপার্জন বৃদ্ধি পাবে।

একাধিক দক্ষতাকে কাজে লাগানোর সুবিধা

মানুষের একাধিক দক্ষতা থাকতে পারে। কিন্তু চাকরিতে একাধিক দক্ষতার আর্থিক মূল্যায়ন হয় না। হয়তো ইন্টারভিউ বোর্ডে আপনার একাধিক দক্ষতা থাকার কারণে অন্যদের চেয়ে এগিয়ে থাকবেন। কিন্তু এর ফলে আপনার বেতনের খুব একটা পরিবর্তন হবে না। বিষয়টি আরেকটু বুঝিয়ে বলি।

অনেকেই আছেন ডাবল এমবিএ করেছেন। একটি এমবিএ করেছেন অ্যাকাউন্ট থেকে, আরেকটি এমবিএ করেছেন ম্যানেজমেন্ট থেকে। এখন বলুন কোম্পানি আপনাকে কোন ডিপার্টমেন্ট এর জন্য নিয়োগ করবে।

অবশ্যই আপনাকে যেকোন একটি ডিপার্টমেন্টের জন্য নিয়োগ করবে। এবং স্যালারি ও একটি ডিপার্টমেন্ট অনুযায়ী নির্দিষ্ট। তাহলে আপনার আরেকটি দক্ষতা ছিল সেটা আপনারা কোন কাজে আসলো না।

কিন্তু একজন ফ্রিল্যান্সারের এই ধরনের কোন নির্দিষ্ট বাধ্যবাধকতা নেই। আপনার যে কয়টি দক্ষতা থাকবে প্রত্যেকটি কে কাজে লাগিয়ে অর্থ উপার্জন করতে পারবেন।

ফ্রিল্যান্সিং করে আপনি আপনার অ্যাকাউন্টেন্ট দক্ষতা দিয়েও কাজ করতে পারবেন। আবার মার্কেটিং দক্ষতা দিয়েও আপনি উপার্জন করতে পারবেন। এতে করে আপনার উপার্জন অনেক গুণ করার সম্ভাবনা থাকে।

ঘরে বসেই বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জন

অনলাইন ইনকাম এর মাধ্যমে আপনি ঘরে বসে বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জন করতে পারবেন। ফ্রিল্যান্সিং এ সাধারনত ফ্রিল্যান্সাররা বহির্বিশ্বের কাজগুলোই বেশি করে থাকে। এবং পেমেন্ট গুলো বৈদেশিক মুদ্রায় হয়ে থাকে।

অক্সফোর্ড ইন্টারনেট ইনস্টিটিউটের এক প্রতিবেদনে দেখা গিয়েছে, বাংলাদেশ থেকে 6 লাখ 50 হাজার রেজিস্ট্রিকৃত ফ্রিল্যান্সার রয়েছে। যার মধ্যে 5 লক্ষ ফ্রিল্যান্সার নিয়মিত সক্রিয় আছে। এবং বাংলাদেশের আইসিটি বিভাগের মতে এই 5 লক্ষ ফ্রিল্যান্সার বার্ষিক 100 মিলিয়ন ডলার আয় করছে।

আর এখানেই সবচেয়ে মজার বিষয়টি হলো তারা সবাই ঘরে বসেই আয় করছে। এদের মধ্যে অনেকেই আছেন চাকরির পাশাপাশি অনলাইন ইনকাম করছেন, আবার অনেকেই পড়াশোনার পাশাপাশি ইনকাম করছেন।

অল্প বিনিয়োগ

ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য খুব একটা আহামরি বিনিয়োগের প্রয়োজন হয় না। বর্তমান সময়ে আমাদের বেশির ভাগের কাছেই কম্পিউটার এবং ইন্টারনেট দুটোই আছে।

যদি না থাকে তাহলে একটি কম্পিউটার এবং ইন্টারনেট সংযোগ এটুকুই যথেষ্ট। অন্যান্য ব্যবসার মতো অফিস নিতে হয় না। ঘরে বসেই কাজ করা যায়। বর্তমানে 12 থেকে 20 হাজার টাকার মধ্যে সেকেন্ড হ্যান্ড ল্যাপটপ পাওয়া যায় বা চাইলে ডেস্কটপ ও নিতে পারেন।

চাকরি হারাবার ভয় নেই

চাকরি করলে চাকরি হারানোর ভয় থাকে। বিভিন্ন কারণে মানুষ চাকরি হারায়। কখনো কোম্পানির মন্দাভাব এলে, বসের সাথে বনিবনা না হলে, অথবা নিজের কোন ভুলের কারণে চাকরি হারানোর সম্ভাবনা থাকে।

বিশেষ করে এই প্যানডেমিক এর সময় প্রচুর মানুষ চাকরি হারিয়েছে। কিন্তু যেহেতু, ফ্রিল্যান্সিং একটি মুক্ত পেশা তাই এটাতে কোন চাকরি হারাবার ভয় নেই। হয়তো কখনো কাজ বেশি হবে অথবা কম হবে।

চাকরি বা পড়াশোনার পাশাপাশি ফ্রিল্যান্সিং করা যায়

বেশিরভাগ মানুষ ফ্রিল্যান্সিং এর প্রাথমিক পর্যায়ে চাকরির পাশাপাশি করে থাকে। অফিস ছুটির পর বাকি সময়টা ফ্রিল্যান্সিং করা যায়।

কারণ এক্ষেত্রে অনেক ছোট ছোট কাজ করেই অনলাইন থেকে ইনকাম করা যায়। এর জন্য খুব বেশি একটা সময়ের দরকার হয় না। তাই পড়ালেখার পাশাপাশি ও এই কাজের সময় দেয়া যায়।

ফ্রিল্যান্সিং এ খুব বেশি একাডেমিক যোগ্যতার প্রয়োজন হয় না

মুক্ত পেশায় যোগ্যতার সবচেয়ে বড় মাপকাঠি হল দক্ষতা। এই পেশায় কাজ পাওয়ার জন্য আপনার দক্ষতাই আপনাকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।

ক্লায়েন্ট আপনাকে কাজ দেওয়ার সময় আপনার একাডেমিক যোগ্যতার প্রশ্ন করবে না। বরং উনার কি কাজ দরকার সেই কাজ এ আপনি কতটুকু দক্ষ এটি নিশ্চিত হতে চাইবেন।

যেমন, মনে করুন একজন ক্লায়েন্ট এর তার ব্যবসার জন্য একটি ওয়েবসাইট করতে চাচ্ছেন। এখন তিনি জানতে চাইতে পারেন যে, আপনি আগে ওয়েবসাইট করেছেন কি না? করে থাকলে সেইগুলো উনি দেখতে চাইবেন।

যদি ওনার আপনার কাজ এবং আপনার কথা পছন্দ হয়ে যায় তাহলে আপনি কাজ পেয়ে যাবেন। সবচেয়ে মজার বিষয় এখানে মামা, চাচা, খালুর কোন আব্দার চলে না। smile

ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শিখব এবং কোথায় শিখবো ?

এতক্ষণ পর্যন্ত আমরা জানলাম ফ্রিল্যান্সিং কি? ফ্রিল্যান্সার কি? ফ্রিল্যান্সিং এর ভবিষ্যৎ এবং এর সুবিধাদি। এখন আমরা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করব।

ফ্রিল্যান্সিং হচ্ছে একটি ব্যবসার ধরন মাত্র। প্রত্যেকটি ব্যবসার ভিন্ন ভিন্ন ধরন থাকে। মুদি দোকানদার দোকান থেকেই তার পণ্য বিক্রি করে থাকে। কাস্টমার তার কাছে আসে।

দোকানদারকে কাস্টমারের কাছে যেতে হয় না। আবার তার দোকানের প্রচারের জন্য ব্যানার লাগায় বিভিন্ন ধরনের ফেস্টুন লাগায়। সে বিভিন্ন কোম্পানির কাছ থেকে পণ্য কিনে তার উপর একটি প্রফিট মার্জিন রেখে বিক্রি করে। এটি মুদির দোকানের একটি ব্যবসার ধরন।

এরকম আরো অনেক ধরনের ব্যবসা আছে। একেক ব্যবসার একেক ধরন। আমি বাস্তবিক প্রেক্ষাপট দিয়ে এই জিনিসটি বোঝানোর চেষ্টা করছি।

ঠিক তেমনিভাবেই অনলাইন জগতের ব্যবসার ধরন আমাদেরকে জানতে হবে। এইজন্যে অনলাইনে কোথায় কাজ পাওয়া যায়, অনলাইনে কি কি কাজ করা যায় এই সমস্ত বিষয় গুলোর খুঁটিনাটি খুব ভালোভাবে জানতে হবে। আর এগুলো জানার জন্য কোন কোর্স করতে হয়না।

কিন্তু আপনাকে নির্দিষ্ট কাজ বেছে নিতে হবে। এবং ওই কাজের উপর আপনাকে দক্ষ হতে হবে। আর এই দক্ষতা অর্জনের জন্য আপনাকে ভালো কোথাও থেকে শিখতে হবে।

আর এই জন্য কোচিং সেন্টারেই যে শিখতে হবে এমন কোন কথা নেই। যে কারো কাছে, যিনি অভিজ্ঞ এবং ওই কাজের উপর পারদর্শী তার কাছ থেকে ব্যক্তিগতভাবেও শিখতে পারেন। অথবা চাইলে কোর্স করতে পারেন।

বর্তমানে এই টেকনোলজির যুগে কোন কিছু শেখা খুবই সহজ। অনলাইনে এত রিসোর্স আছে যে আপনি শিখে শেষ করতে পারবেন না। কিন্তু আমাদের সমস্যাটা হলো আমার যা দরকার সেটি সঠিক পদ্ধতিতে খোঁজ না করা। সবারই একটি সাধারণ অভ্যাস যে, কেউ যেন আমাকে দেখিয়ে দেয় কিভাবে কি করব?

আমি আসলে খুব সহজভাবে পুরো ফ্রিল্যান্সিংয়ের বেসিক জিনিসটা ধরিয়ে দিতে চাই। একটু চিন্তা করে দেখুন তো, আপনার কাছে কোন একটি পণ্য আছে বা আপনি কোন একটি কাজ পারেন, এখন আপনি এটি বিক্রি করতে চাচ্ছেন তাহলে আপনি কি করবেন? আমি কয়েকটি প্রশ্ন তুলে ধরছি।

১. আমার পণ্যটি বা সেবাটি কার বা কাদের দরকার?
২. তারা কোথায় থাকে?
৩. তাদের এই পণ্যটি বা সেবাটি দরকার হলে তারা কোথায় খোঁজ করে?
৪. তাদের কাছে আমি কিভাবে পৌঁছাব?
৫. আমার মূল্য নির্ধারণ ঠিক আছে কিনা?
৬. তাদের সাথে লেনদেন কিভাবে হবে?

উপরের প্রথম চারটি প্রশ্ন যদি আপনার কাছে স্পষ্ট হয়ে যায় তাহলে ফ্রিল্যান্সিং করতে বা অনলাইন ইনকাম করতে আপনার কোন প্রকার অসুবিধে হবে না।

তাহলে এবার ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য উপরের চারটি প্রশ্ন নিজের কাছে পরিষ্কার করে ফেলুন। আমি একটি উদাহরণের মাধ্যমে আপনাদেরকে এ বিষয়টি বোঝানোর চেষ্টা করছি।

মনে করুন আপনি গ্রাফিক ডিজাইন এর কাজ পারেন। এখন আপনি এই গ্রাফিক ডিজাইন করে দিয়ে অনলাইন ইনকাম করতে চাচ্ছেন।

তাহলে প্রথম প্রশ্নের ভিত্তিতে কাদের গ্রাফিক ডিজাইন দরকার?

অনলাইন ভিত্তিক যারা ব্যবসা করে তাদের সবারই গ্রাফিক ডিজাইনার দরকার। কোন না কোন ক্ষেত্রে তাদের গ্রাফিক ডিজাইন এর দরকার হয়। তাহলে আমরা বুঝে গেলাম যারা অনলাইনে ব্যবসা করছে, তাদের সবারই কোনো-না-কোনোভাবে এই কাজ দরকার।

এবার দ্বিতীয় প্রশ্ন তারা কোথায় থাকে?

অনলাইনে মানুষ কোথায় থাকতে পারে? অনলাইনে মানুষ কোনো না কোনো সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করছে।যেমন, ফেইসবু্‌ক, টুইটার,ইনস্টাগ্রাম, লিংকড ইন, রেড্ডিট, ইত্যাদি। অথবা কোন ওয়েবসাইট হতে পারে।

তৃতীয় প্রশ্ন তাদের এই পণ্যটি বা সেবাটি দরকার হলে তারা কোথায় খোঁজ করে?

আমরা সাধারণভাবে আমাদের কোন পণ্যের দরকার হলে আমরা কোথায় যাই? নিশ্চয়ই আমরা মার্কেটে যাই অথবা কোন দোকানে যাই।

এইরকম অনলাইনেও নির্দিষ্ট কাজের জন্য নির্দিষ্ট মার্কেট রয়েছে। গ্রাফিক ডিজাইনের জন্য এরকম কয়েকটি মার্কেটপ্লেস হলো ফাইবার (fiverr.com), বিহেন্স (behance.net), 99ডিজাইনস (99designs.com), ডিজাইন হিল (designhill.com) ইত্যাদি।

এরকম সাইটগুলোতে মানুষ এসে তাদের প্রয়োজন মত ডিজাইন খুঁজে নেয় অথবা কোন ডিজাইনার কে কাজের জন্য নিয়োগ করে। অথবা মানুষ গ্রাফিক ডিজাইনের কোন এজেন্সি ওয়েবসাইট খোঁজ করে। আবার অনেকে সোশ্যাল মিডিয়াতে ও খোঁজ করে।

প্রত্যেকটি কাজের জন্যই অনলাইনে এ ধরনের মার্কেটপ্লেস বা এজেন্সি রয়েছে এবং কোন না কোন সোশ্যাল মিডিয়ার সাথে কানেক্টেড রয়েছে।

চতুর্থ প্রশ্ন তাদের কাছে আমি কিভাবে পৌঁছাব?

আমাদের যখন কোন জিনিস দরকার হয় আমরা মার্কেটে যাই। তাহলে যাদের কোন পণ্য বিক্রির দরকার হয় তারাও সেই মার্কেটে দোকান ভাড়া নিয়ে থাকে। এখন একজন দোকানদার কি শুধু দোকান ভাড়া নিয়ে বসে থাকে। না, সে চেষ্টা করে যত বেশি সম্ভব মানুষের কাছে এই খবর পৌঁছাতে যে, আমি দোকান নিয়েছি, এই জায়গায় আমার দোকান, আমি এই, এই পণ্য বিক্রি করি।

অনলাইনেও আমাদেরকে এই কাজগুলো করতে হবে। যত রকমের মার্কেটপ্লেস আছে আমার কাজ রিলেটেড এবং যত সোশ্যাল মিডিয়া আছে সব জায়গায় আমাদের অবস্থান নিশ্চিত করার মাধ্যমেই আমরা তাদের কাছে পৌঁছাতে পারবো। আর বিভিন্ন ক্যাটাগরি ভিত্তিতে ফ্রিল্যান্সিং ওয়েবসাইট রয়েছে। যার মধ্যে থেকে আপনি যেই সেক্টরে বা ক্যাটাগরিতে কাজ করেন সেই রিলেটেড ওয়েবসাইটে একাউন্ট করে রাখবেন। এই ধরনের সাইটে কম্পিটিশন তুলনামূলক কম থাকে।

তাছাড়া বাংলাদেশি ফ্রিল্যান্সিং ওয়েবসাইট বিল্যান্সার ডট কম এও আপনি কাজ করতে পারেন। এখানেও কম্পিটিশন তুলনামূলক কম।

এইগুলো করতে আমাদের এক পয়সাও খরচ করতে হবে না। একদম ফ্রিতেই সব করা যায়।

পঞ্চম প্রশ্ন আমার মূল্য নির্ধারণ ঠিক আছে কিনা?

এই বিষয়টি আমাদেরকে একটু সাবধানতার সাথে মেনে চলতে হবে। আপনি যে কাজ করছেন সেই কাজে অন্যান্যরা কিরকম মূল্য নির্ধারণ করেছে এই দিকে একটু লক্ষ রাখতে হবে।

আপনি যদি বেশি মূল্য নির্ধারণ করেন অথবা কম মূল্য নির্ধারণ করেন দুটোই আপনার জন্য ক্ষতিকারক। আর এই বিষয়টি জানার জন্য মার্কেটপ্লেস গুলোতে একটু রিসার্চ করলেই পেয়ে যাবেন।

ষষ্ঠ প্রশ্ন তাদের সাথে অনলাইন লেনদেন কিভাবে হবে?

অনলাইন থেকে লেনদেন করার অনেকগুলো মাধ্যম আছে। চাইলে আপনি ক্লায়েন্টের কাছ থেকে অথবা বিভিন্ন মার্কেটপ্লেস থেকে সরাসরি আপনার বাংলাদেশী ব্যাংক একাউন্টে ট্রান্সফার করতে পারবেন। তাছাড়া অনেকগুলো ইন্টারনেট বেইজড ফিনান্সিয়াল সার্ভিস আছে এগুলোর মধ্যমে ও আপনি লেনদেন করতে পারবেন। যেমন পেইওনিয়ার (payoneer.com)। কিভাবে অনলাইন থেকে লেনদেন করবেন জানতে এই আর্টিকেলটি পড়ুন।

ফ্রিল্যান্সিং এ কি কি কাজ করা যায় ?

আসলে ফ্রিল্যান্সিং এ কি কি কাজ করা যায়? এই প্রশ্নের উত্তর অনেক ব্যাপক। কারণ ফ্রিল্যান্সিংয়ে কাজ করার প্রচুর ক্ষেত্র রয়েছে। এখন কথা হচ্ছে আমি কোন কাজটি পারি বা আমার দ্বারা করা সম্ভব? আপনি একাউন্টিং, মার্কেটিং, টেকনোলজি, গ্রাফিক ডিজাইন, মাল্টিমিডিয়া, ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট, কোডিং বা প্রোগ্রামিং আরো অনেক ক্ষেত্র রয়েছে যা বলে শেষ করা যাবে না। তবে আপনাকে সব কাজ জানতে হবে এমন কিন্তু নয়। আপনি যে কোন একটি বিষয়ের উপর নজর দিয়ে এগিয়ে যেতে পারেন। ফ্রিল্যান্সিংয়ে ক্ষুদ্র থেকে ক্ষুদ্রতর কাজ করেও অনলাইন ইনকাম করা যায়। যেমন আপনি যদি ফেসবুক পেইজ ক্রিয়েট করা, ফেসবুক এড, গুগল এড, ইমেজ ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভ, ফেইসবুক ইউটিউব ইনস্টাগ্রাম ইত্যাদির লাইক, সাবস্ক্রাইবার বাড়ানো ইত্যাদি করতে পারেন এগুলো দিয়ে ও আপনি ফ্রিল্যান্সিং করে যেতে পারবেন।

আমরা একটু দেখে নেই ফ্রিল্যান্সিং এ কি কি কাজ করা যায়?

ইউটিউব ভিডিও প্রমোট করা
ফেসবুক পেইজ ক্রিয়েট করা
লোগো ডিজাইন করা
ভিজিটিং কার্ড বানানো
ব্যানার তৈরি করা
ফেইসবুক এড তৈরি করা
গুগল এড তৈরি করা
যেকোনো পণ্যের প্রমোশন করা
ওয়েবসাইট তৈরি করা
ওয়েবসাইটে প্রোডাক্ট আপলোড করা

ইমেইল মার্কেটিং করা
বিভিন্ন কোম্পানির প্রয়োজন অনুসারে ইমেইল কালেক্ট করা
প্রমোশনাল ভিডিও তৈরি করে দেওয়া
এনিমেশন করা
মাইক্রোসফট ওয়ার্ড এক্সেল এর কাজ করা
প্রডাক্ট ইমেজ তৈরি করা
প্রডাক্ট ইমেজ এর ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভ করা

পিডিএফ বা ইমেজ ফাইল থেকে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে কনভার্ট করা
ফটো এডিটিং করা
ডাটা এন্ট্রি করা
কনটেন্ট ক্রিয়েট করা
মোবাইল অ্যাপ তৈরি করা
ওয়েবসাইটের ব্যাকলিঙ্ক তৈরি করা
ভিডিও এডিট করা
বিভিন্ন বিষয়ের উপর আর্টিকেল লেখা

এখানে আমি সহজ ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ সমূহ এর কিছু নির্দিষ্ট কাজের ধারণা দিলাম। আরো অনেক কাজ আছে । আসলে ক্যাটাগরির ভিত্তিতে ওই ক্যাটাগরির আরও সাব ক্যাটাগরিতে প্রচুর কাজ থাকে।

অনলাইনে বিষয়টি এমন যে ক্লায়েন্ট আপনাকে দিয়ে ছোট্ট একটি কাজ করিয়ে নিতে পারেন। যেমন মনে করুন গ্রাফিক ডিজাইন। এটি একটি কাজের ক্যাটাগরি। এর ভিতর আরো অনেক sub-category রয়েছে ।

আপনাদের সুবিধার্থে ক্যাটাগরির ভিত্তিতে আরো কাজের লিস্ট আমি দিয়েছি।

ফ্রিল্যান্সিং কোন কাজের চাহিদা বেশি ?

ফ্রিল্যান্সিং কোন কাজের চাহিদা বেশি ? এই বিষয়টিকে বলতে গেলে, বর্তমানের অনলাইন ফ্রিল্যান্সারদের ক্যাটাগরী ভিত্তিক একটি পরিসংখ্যান দেখে নেয়া যাক।

Online Labour Observatory (onlinelabourobservatory.org) এই অরগানাইজেশন টি রিয়েল টাইমে প্ল্যাটফর্ম জুড়ে প্রকল্প এবং কাজের সংখ্যা ট্র্যাক করে, দেশ এবং পেশা এর ভিত্তিতে অনলাইন ফ্রিল্যান্স শ্রমের সরবরাহ এবং চাহিদা পরিমাপ করে। এই অরগানাইজেশন টি ৬টি পেশার ক্যাটাগরি ভিত্তিতে 2020 সালের আমেরিকার অনলাইন ফ্রিল্যান্সারদের একটি পরিসংখ্যান দিয়েছে।

ফ্রিল্যান্সিং কোন কাজের চাহিদা বেশি

চিত্র ১

চিত্র ১ এ আমরা দেখতে পাচ্ছি সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট এন্ড টেক ক্যাটাগরির সার্ভিসটি অন্যান্য ক্যাটাগরি থেকে উপরে রয়েছে। এবং তার পরপরই অবস্থান করছে ক্লারিক্যাল এন্ড ডাটা এন্ট্রি ক্যাটাগরি। পরবর্তী ক্যাটাগরি, রাইটিং এন্ড ট্রানসলেশন, প্রফেশনাল সার্ভিস, সেলস এন্ড মার্কেটিং, এবং ক্রিয়েটিভ এন্ড মাল্টিমিডিয়া ক্যাটাগরি গুলো প্রায় কাছাকাছি রয়েছে।

এখান থেকে আমরা বুঝতে পারছি কোন ক্যাটাগরির কাজের চাহিদা কি রকম হচ্ছে। নিঃসন্দেহে সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট এন্ড টেক ক্যাটাগরির সার্ভিসটি অন্য সব ক্যাটাগরিগুলো থেকে বেশি চাহিদা দেখা যাচ্ছে।

রেজিস্ট্রিকৃত ফ্রিল্যান্সার

চিত্র ২

এই চিত্র ২ -এ দেখানো হয়েছে একই সময়ে কোন ক্যাটাগরিতে বেশি সংখ্যক ফ্রিল্যান্সার রেজিস্ট্রিকৃত হয়েছে। এখানেও আমরা দেখতে পাচ্ছি সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট এন্ড টেক ক্যাটাগরিতে সবচেয়ে বেশি রেজিস্ট্রিকৃত হয়েছে। এবং দ্বিতীয় পর্যায়ে ক্রিয়েটিভ এবং মাল্টিমিডিয়া ক্যাটাগরিতে রেজিস্ট্রিকৃতদের সংখ্যা ঊর্ধ্বমুখী।

এখানে ৬ টি ক্যাটাগরিতে পুরো অনলাইন ফ্রিল্যান্সিং কাজগুলোকে দেখানো হয়েছে। এই ৬ টি ক্যাটাগরির ভিতরেই আরো শত ক্যাটাগরি রয়েছে। প্রত্যেকটি ক্যাটাগরিতেই আসলে চাহিদা রয়েছে যেহেতু বর্তমানে এই কাজগুলো অফলাইন থেকে অনলাইনে চলে আসছে।

তাই আমার পরামর্শ হলো ফ্রিল্যান্সিং কোন কাজের চাহিদা বেশি এটার দিকে খুব একটা নজর না দিয়ে আপনি কোন কাজটি ভালো পারেন অথবা কোন কাজটি করতে আপনার বেশি ভালো লাগে, এটি খেয়াল করুন।

কারণ সফটওয়্যার ডেভলপমেন্ট এন্ড টেকনোলজি এর চাহিদা বেশি আছে দেখেই যে আপনাকেও করতে এরকম চিন্তা করা যাবে না। কারণ সবাইকে দিয়ে সবকিছু হয়না।

দেখা গেলো আপনি প্রোগ্রামিং শিখতে গেলেন। কিন্তু, কিছুদিন পর প্রোগ্রামিংয়ের কঠিন বিষয় গুলো যখন সামনে আসে, তখন দেখা গেল ওই বিষয়গুলো আপনি কভার করতে পারছেন না। বা আপনার ধৈর্য হচ্ছে না। সবচেয়ে বড় বিষয় হলো আপনি যে কাজ করতে চাচ্ছেন সেই কাজে যথেষ্ট দক্ষ হওয়ার চেষ্টা করুন।  

এইজন্য কথায় আছে না “জোশে নয় হুঁসে কাজ করুন”।

ফ্রিল্যান্সিং করে ইনকাম করতে কতদিন সময় লাগে ?

এই প্রশ্নটি বেশিরভাগ মানুষ করে থাকে। যারা নতুন ফ্রিল্যান্সিং করতে চাচ্ছে তাদের মনে এই প্রশ্নগুলো বেশি  উঁকি দেয়। যে কোন ব্যবসায় ইনকাম আসতে সময় লাগে।

একটি ব্যবসা শুরু করার পর থেকে এটির পিছনে অনেক শ্রম এবং সময় দিতে হয়। তেমনি, এই ক্ষেত্রেও আপনাকে সময় এবং শ্রম দিতে হবে। এই কাজ করে আপনি কত দিনে অনলাইন ইনকাম করতে পারবেন এটি সম্পূর্ণ আপনার নিজের উপর।

প্রথমেই দেখতে হবে, আপনি যে কাজ করতে চাচ্ছেন সেই কাজে আপনি কতটুকু তৈরি হয়েছেন। তারপর আসছে ফ্রিল্যান্সিং করার বিষয়।

ধরে নিলাম আপনি আপনার কাজে পুরোই দক্ষ। এখন আপনাকে বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসে ফ্রিল্যান্সিং একাউন্ট করতে হবে। আপনার কাজের পোর্টফোলিও তৈরি করতে হবে। অনলাইন যত সোশ্যাল মিডিয়া আছে সব জায়গায় আপনার অবস্থান নিশ্চিত করতে হবে।

এরপর আপনার কাজের প্রচার প্রচারণা করতে হবে। এখন আপনি যদি এই সমস্ত স্টেপগুলো কমপ্লিট করেন এবং নিয়মিত প্রচার প্রচারণা চালিয়ে যান, তবে আশা করা যায় ১ থেকে ২ মাসের ভিতরেই আপনি কাজ পেয়ে যাবেন ইংশা আল্লাহ্‌।

কেউ যদি নির্দিষ্ট সময়সীমা দিয়ে ইনকামের নিশ্চয়তা দেয়, তবে তাদের কাছ থেকে সবসময়ই দূরে থাকবেন। খুব সাধারণ একটি বিষয় যদি ইনকামের এরকম নিশ্চয়তা দেয়া যেত, তাহলে মানুষ কেন বেকার থাকে অথবা ইনকাম নিয়ে এত দুশ্চিন্তা করে।

তবে এতটুকু নিশ্চিত যে,  আপনি যদি ধৈর্য ধরে শ্রম দিয়ে লেগে থাকেন অবশ্যই অনলাইন ইনকাম করতে পারবেন।  হয়তো অন্যদের চেয়ে আগে অথবা পরে।

ফ্রিল্যান্সিং করে কত টাকা আয় করা যায়?

ফ্রিল্যান্সিং করে কত টাকা আয় করা যায়?  এর সহজ উত্তর হচ্ছে এর কোন লিমিট নেই। অনলাইনে ইনকাম করার অনেক রাস্তা আছে। ইন্টারনেট জগত এক বিশাল সমুদ্র। এখানে অনেক ভাবে ইনকাম করা যায়। তাই কত টাকা ইনকাম করা যায় এর কোন নির্দিষ্টতা নেই।

এই সেক্টরে যে যত বেশি সময় দেবে এবং একাগ্রতার সাথে লেগে থাকবে সে ততো বেশি ইনকাম করবে। প্রথমদিকে ইনকাম টা একটু কম হয় ধীরে ধীরে আপনার কাজ যত বাড়তে থাকবে আপনার ইনকাম তত বাড়তে থাকবে। 

তবে যদি আপনি আমাদের দেশের স্যালারি স্কেল হিসেব করেন সে ক্ষেত্রে ফ্রিল্যান্সিং করে অনেক গুণ বেশি ইনকাম করা যায়। আপনাদের সুবিধার্থে আমি একটু আইডিয়া দিচ্ছি, যদিও এভাবে বলা ঠিক নয়।

যদি আপনি অনলাইন থেকে কাজ পাওয়া শুরু করেন তাহলে এভারেজ মান্থলি ৫০০ থেকে ১০০০ ডলার পর্যন্ত ইনকাম হয়। আমি আবারো বলছি এই হিসেবটা কোন নির্দিষ্ট নয়। এটি শুধুমাত্র আপনাদের ধারণার জন্য বলা।

একজন ফ্রিল্যান্সারের ইনকাম এর চেয়ে অনেক বেশী হয়ে থাকে। আর এটি নির্ভর করে আপনার কাজের ধরনের উপর। অনেকে দেখা যায় ডাটা এন্ট্রি বা লিড জেনারেশন করেই  মাসে ১৫০০ ডলারের ও বেশী ইনকাম করছে। আবার অনেকে ওয়েব ডেভলপার হয়েও ১০০০ ডলার ইনকাম করতে পারছেন না। 

ফ্রিল্যান্সিং করে কত টাকা আয় করা যায়? এই বিষয়গুলোর দিকে নজর না দেওয়ার জন্য অনুরোধ রইল। আপনি আপনার দক্ষতা কে সর্বোচ্চ সীমাতে নিয়ে যান আর ধৈর্য ধরে লেগে থাকুন। কি পরিমান ইনকাম হতে পারে তখনই বুঝতে পারবেন, আমি যা ধারণা দিয়েছি তার চেয়ে কত বেশি গুণ ইনকাম মানুষ করছে। 

ক্যাটাগরির ভিত্তিতে কাজের লিস্ট

DATA ENTRY

♦ Plain Data Entry
♦ Word Processor or Typist
♦ Cleaning of Data
♦ Other Basic Typing Jobs
♦ Online Form Filling
♦ Online Survey
♦ Online Data Capturing Job
♦ Email Processing
♦ Updating Database
♦ Proofreading & Copywriting
♦ Copy & Paste
♦ Captioning
♦ Re-Formatting and Correction
♦ Formatting and Editing
♦ File conversion
♦ Copy & Paste
♦ Captioning
♦ Re-Formatting and Correction
♦ Formatting and Editing
♦ File conversion

VIRTUAL ASSISTANT

♦ Project Management
♦ Creating/updating/maintaining databases and CRMs.
♦ Data entry
♦ Basic bookkeeping
♦ Data mining / online research
♦ Typing up notes
♦ Social media set up/maintenance/content research/scheduling.
♦ Facebook, Twitter, or Google ads – creating, monitoring, and analyzing.
♦ Setting up/managing webinars and podcasts
♦ Forum commenting/monitoring
♦ Setting up LinkedIn profiles, groups
♦ Photo editing
♦ Transcription
♦ Creating/editing/formatting templates and guides
♦ Event coordination
♦ Chasing outstanding invoices.
♦ Diary/calendar management
♦ Email management
♦ Writing/editing/formatting reports and presentations.
♦ Researching/making travel and accommodation arrangements
♦ eBook editing/formatting/publishing
♦ Gmail set up, importing, and creating labels/filters/folders

GRAPHIC DESIGN

♦ Product design
♦ Branding design
♦ Publishing design
♦ Environmental design
♦ Animation design
♦ Logo design
♦ Photo Re-touching
♦ Info-Graphic
♦ T-Shirt Design
♦ Fashion Design
♦ Font Design
♦ Business Card Design
Flyer Design
♦ Banner Design
♦ Mockup Design
♦ Brochure Design
♦ Character Design
♦ Website Design
♦ Pattern Design
♦ Icon Design
♦ Gaming Design
♦ Vector Tracing
♦ Poster Design
♦ Catalog Design
♦ Tattoo Design ♦ Illustration

VIDEO MAKING

♦ 2D Animated Explainers
♦ Whiteboard Explainers
♦ 3D Animated Explainers
♦ Video Editing
♦ Ads & Social Media Videos♦ Color Grading
♦ Cleanups
♦ Match Moving
♦ Beauty Retouching
♦ Subtitle And Caption
♦ Corporate Videos
♦ Gaming Videos
♦ Wedding and Event videos
♦ Video Compositing
♦ Rotoscoping & KeyingCharacter Animation
Short Video Ads
E-Commerce Product Videos
Slideshow Videos
Cartoon Making Videos
MULTIMEDIAPROGRAMMING
Voice Over
Singers & Vocalist
Mixing & Mastering
Beat Making
Audio Book Production
DJ Mixing
Jingles and Intros
Remixing and Mashups
Sound Design
Dialog Editing
Vocal Tuning
Software application developer.
Web developer.
Computer systems engineer.
Database administrator.
Computer systems analyst.
Software quality assurance (QA) engineer.
Business intelligence analyst.
Computer programmer.
Problem Solving
Bug Fixing♦ Artificial Intelligence
WORDPRESSDIGITAL MARKETING
♦ Install WordPress Plugins and Themes
♦ WordPress Theme Customization
♦ WordPress Functionality and PlugIn Enhancement
♦ CRM Integration & Social Media Integration
♦ Payment Gateway Integration
♦ Website Design
♦ Theme Specialist (Specific Theme)
♦ Hosting And Domain Transfer
♦ Backup
♦ Security
♦ Site Speed Optimization
♦ Bug Fixing
♦ Social Media Marketing
♦ Social Media Advertising
♦ Search Engine Optimization (SEO)
♦ Local SEO
♦ Search Engine Marketing
♦ Content Marketing
♦ Video Marketing
♦ Email Marketing
♦ Text Message Marketing
♦ Influencer Marketing
♦ APP Marketing
♦ Affiliate Marketing
♦ E-Commerce Marketing
♦ Community Management
♦ Display Advertising
ARTICLE WRITING
♦ Articles for newspapers
♦ Blog
♦ Product Review
♦ Technology Review
♦ Book Review
♦ Analytical Article
♦ Program Proposal
♦ Grant writing for nonprofit organizations
♦ Training manuals
♦ Investigative Articles
♦ Lifestyles Articles
♦ Research Articles
♦ Personality Profile Articles
♦ Question-and-Answer Articles
♦ Sponsored Content Articles

সফল ফ্রিল্যান্সার হওয়া নিয়ে কিছু কথা

একটি প্রসিদ্ধ বাক্য আছে, “ সব ডিম কখনও এক ঝুড়িতে রেখনা ”। এই বাক্যটি ফ্রিল্যান্সিং করার সময় খুব ভালো ভাবে লক্ষ্য রাখা উচিত। অনেক ফ্রিল্যান্সার আছে যারা একটি মার্কেটপ্লেসে কাজ করে। আর অন্য কোথাও কাজের পরিধি বা ব্যাপ্তি করে না। কিন্তু এটি খুব ভুল সিদ্ধান্ত।

মার্কেটপ্লেসের একাউন্ট আপনার যে কোন একটি ভুলের কারণে যেকোনো সময় বন্ধ হয়ে যেতে পারে। তাই পরিপূর্ণভাবে মার্কেটপ্লেসের উপর নির্ভরশীল না হওয়া ভালো।

ফ্রিল্যান্সিং করে সফল ফ্রিল্যান্সার হওয়ার পূর্ণাঙ্গ গাইডলাইনটি দেখুন।

আশা করি আপনারা ফ্রিল্যান্সিং কি, ফ্রিল্যান্সার কি, ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে করতে হয়, ফ্রিল্যান্সিং এ কি কি কাজ করা যায়, এসব বিষয়ে মোটামুটি একটি ধারণা পেয়েছেন। আমাদের সাইটে ফ্রিল্যান্সিং নিয়ে আরো অনেক আর্টিকেল আছে সবগুলো দেখে নেবেন।

ধন্যবাদ।

Click to rate this post!
[Total: 0 Average: 0]

1 thought on “ফ্রিল্যান্সিং কি এবং কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং শিখব?”

Leave a Comment